Bangladesh
বিধ্বস্ত বিমানে জালালাবাদ মেডিকেল কলেজের ১৩ নেপালী ছাত্রী

12 Mar 2018

#

ঢাকা, মার্চ ১২ : নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত বাংলাদেশের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে সিলেটের জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ জন নেপালি শিক্ষার্থী ছিলেন।

তাদের মধ্যে ১১ জন ছাত্রী। আর দুইজন ছাত্র। তারা এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষা শেষে দেশে ফিরছিলেন। তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।


শিক্ষার্থীরা হলেন- শ্বেতা থাপা, পূর্ণিমা লোহানি, মিলি মাহারজান, আশনা শাক্য, চারু বড়াল, সামিরা ব্যঞ্জকর, আলজিনা বড়াল, আঙ্গিলা শ্রেষ্ঠা, নিগা মাহারজান, প্রিন্সি ধামি, সঞ্জয় মাহারজান, সঞ্জয় পোড়েল, সারুনা শ্রেষ্ঠা।

 

বৈমানিক জীবিত


এদিকে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটির প্রধান বৈমানিক আবিদ সুলতান বেঁচে আছেন বলে জানিয়েছে বিমান সংস্থাটি।

 

তবে আরেক বৈমানিক পৃথুলা রশিদ মারা গেছেন বলে কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দেওয়া তথ্যে জানা গেছে।


হতাহত অনেককে কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আটজনের মৃত্যু নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা।

 

ওই আটজনের মধ্যে বৈমানিক পৃথুলা রশিদের নাম রয়েছে। তিনি উড়োজাহাজটিতে ফার্স্ট অফিসার হিসেবে কাজ করতেন।


দুর্ঘটনাকবলিত উড়োজাহাজটিতে ক্যাপ্টেন ছিলেন আবিদ সুলতান।

 

ফার্স্ট অফিসার পৃথুলা ছাড়াও ক্রু হিসেবে ছিলেন নাবিলা ও খাজা হোসেন।

 

কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দেওয়া মৃতের তালিকায় ক্রু খাজা হোসেনের নাম রয়েছে।

 

দুর্ঘটনায় আহতরা নেপালের কেএমসি, ওহম, নরভিম হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

একই পরিবারের পাঁচজন

নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স বিমানের যাত্রীদের মধ্যে গাজীপুরের নগরহাওলা গ্রামের একই পরিবারের পাঁচ সদস্য ছিলেন। বিমানে থাকা ফারুক আহমেদ প্রিয়কের (৩২) মা ফিরোজা বেগম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে দুর্ঘটনার পর এদের অবস্থার বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।


এই পাঁচজন হলেন, উপজেলার নগরহাওলা গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে ফারুক আহমেদ প্রিয়ক (৩২), তার স্ত্রী আলমুন নাহার অ্যানি (২৫), তাদের একমাত্র সন্তান তামাররা প্রিয়ক (৩), নগরহাওলা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান মাসুম (৩৩) ও তার স্ত্রী সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা আক্তার (২৫)।

 

ফারুক পেশায় একজন ফটোগ্রাফার।

 

আর মেহেদী হাসান পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন।

 

ফারুক ও মেহেদী হাসান সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই।


ফারুকের মা ফিরোজা বেগম বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর একমাত্র শিশুকন্যা তামাররাকে ছাড়া পরিবারের সবাইকে টিভিতে দেখতে পেয়েছি। তারা সবাই ভ্রমণের উদ্দেশে নেপাল যাচ্ছিলেন।*****
ছবি : ফেসবুকের সৌজন্যে




Video of the day
More Bangladesh News
Recent Photos and Videos

Web Statistics