Column
দেশের প্রেসিডেন্ট হতে চান মুহাম্মদ ইউনুস

12 Sep 2013

#

অবশেষে বাংলাদেশের প্রথম নোবেল বিজয়ী, তথাকথিত অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস রাজনীতির আসরে নামলেন এবং আওয়ামি লীগের বিরুদ্ধে প্রচার শুরু করলেন।সাম্প্রতিক অতীতে আমাদের অর্থমন্ত্রী ডঃ ইউনুসকে একজন 'রাজনীতিক' হিসেবে বর্ননা করায় দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

 কিন্তু ডঃ ইউনুসের  এখনকার কাজকর্ম তাঁর সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর তখনকার মুল্যায়নকেই সমর্থন করছে। গত ২১শে অগাস্ট, যখন  আওয়ামি লীগের জনসভায় গ্রেনেড আক্রমণে নিহতদের স্মরণ-উদ্‌যাপন বার্ষিকী পালন করা হচ্ছে, সেই সময় ঢাকায় একটি গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডঃ ইউনুস বলেন, গ্রামীন ব্যাংককে যারা ধ্বংস করছে তাদের আর দেশের ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া উচিৎ নয়। তাঁর মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই বোঝাতে চেয়েছেন, তা সকলের কাছেই পরিষ্কার। এর পরের দিন, অর্থাৎ ২২শে অগাস্ট কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নেতা কাদের সিদ্দিকি এবং তাঁর দলীয় কর্মীরা ডঃ ইউনুসের জন্য একটি সংবর্ধনা সভার আয়োজন করেন। সেখানে তিনি বলেন, একটি অরাজনৈতিক তদারকি সরকার না গঠন করা পর্যন্ত নির্বাচন করা ঠিক হবেনা। তাঁর এই সমস্ত বক্তব্য এই ঈঙ্গিতই দেয় যে, তাঁর আনুগত্য গণতন্ত্র থেকে সরে এসে এখন ধর্মীয় মৌলবাদীদের প্রতি নিবদ্ধ হয়েছে। 

 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রের জনক হিসেবে স্বীকার না করে ডঃ ইউনুস মনে করেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্থপতি। আওয়ামি লীগের সঙ্গে যে ডঃ ইউনুসের সংঘাতের সম্পর্ক রয়েছে, তা সুবিদিত। কিন্তু ২০০৪ সালের ২১শে অগাস্ট গ্রেনেড আক্রমণ থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যাওয়া শেখ হাসিনাকে সহানুভূতি জানানর মত ন্যূণতম সৌজন্য তিনি দেখাননি। 
 
ব্যাঙ্ক চালান একটি দেশের অভ্যন্তরীন ব্যাপার। কিন্তু তাঁর নিজের স্বার্থে ডঃ ইউনুস দেশের ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে বিদেশী হস্তক্ষেপ চাইছেন। একই সঙ্গে তিনি গ্রামীন ব্যাঙ্কের কর্মচারীদের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার প্ররোচনাও দিয়ে চলেছেন।এই সমস্ত কাজকর্ম কিন্তু দেশদ্রোহিতারই সামিল।
 
নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর ডঃ ইউনুস একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন। দেশের মানুষ অনাস্থা জানিয়ে সেই দলকে খারিজ করে দিয়েছিলেন।তাই এবার তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থে বি এন পি এবং জামাতের হাত ধরেছেন। দেশের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে চান যে তিনি!



Video of the day
More Column News
Recent Photos and Videos

Web Statistics