South-asia
হং কং চীন সরকার বিরোধী বিক্ষোভ ভয়াবহ আকার ধারণ করছেঃ ক্যারি লাম

Bangladesh Live News | @banglalivenews | 27 Aug 2019

We can deal with protests ourselves, feels Chief Executive of Hong Kong Carrie Lam

Photo courtesy: Wikimedia Commons

হং কং সিটি, আগস্ট ২৭ঃ হং কং শহরের নেতা ক্যারি লাম মনে করেন যে গত কিছু মাস ধরে চলতে থাকা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ-সহিংসতা দিন দিনই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

উনি বলেন এই পরিস্থিতি এখনও শহরের সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে।

 

হংকংয়ের চীন সমর্থিত নেতা আজ সাংবাদিকদের বলেন, “সামাজিক সমন্বয়ের জন্য আমাদের  ভিন্ন ভিন্ন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে প্রস্তুত হওয়া উচিত।"

 

"আমরা হংকংয়ের চলমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অবসান চাই,” উনি বলেন।

 

  চীন সরকার  এই আন্দোলনের বিরোধ জানিয়েছে।

 

এই বিক্ষোভের বিষয় ফ্রান্সে সর্বশেষ জি-৭ সম্মেলনে শিল্পোন্নত সাত দেশের নেতারা হংকংকে সহিংসতা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তবে বিষয়টি খুব একটা পছন্দ হয়নি চীনের।

 

প্রসঙ্গত, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, “হংকংয়ের বিষয়ে জি-৭ নেতাদের অবিবেচণাপ্রসূত মন্তব্য এবং ইঙ্গিতে বেইজিং ভীষণ অসন্তুষ্ট এবং কড়াভাবে এর বিরোধিতা করছে।”

 

গত কিছু সপ্তাহ ধরেই চলছে প্রতিবাদ, তবে গতকাল হং কং শহরে বিক্ষোভ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুলিশের গুলি ছোঁড়াকে ঘিরে।

 

রোববার দশ হাজার বিক্ষোভকারী তিয়েন ওয়ানে জমায়েত হয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।

 

জুন মাস থেকে চলা প্রতিবাদগুলির সময়েও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ উঠেছিল। তবে, কাল সব পথে থেকে দূরে হেঁটে পুলিশ  বন্দুক তাক করে প্রতিবাদীদের উপরে।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, কালকের প্রতিবাদের সময় বিক্ষোভকারীদের একাংশ পুলিশকে তাড়া করে।

 

রোববার ঘটনায় হতাহতের খবর নেই।

 

হং কং আসলে হল আধা স্বায়ত্তশাসিত  চীনা শহর। ১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে চীনাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছিল এই জমকালো শহরটি।

 

কিন্তু সেই শহরে এখন সরকার বিরোধী প্রতিবাদ প্রায় রোজ চলছে। চিনের প্রস্তাবিত বন্দি সমর্পণ বিল বাতিলের দাবিতে চলছে এই বিক্ষোভ। আর এর ফলে শহর প্রায় অচল হয়ে পড়ছে।

 

প্রসঙ্গত, বিচারের জন্য বাসিন্দাদের চীনের মূল ভূখণ্ডে পাঠানোর সুযোগ রেখে একটি বহিঃসমর্পণ বিল পাসের উদ্যোগ নিয়েছিল এই শহর হংকংয়ের কর্তৃপক্ষ।

 

তবে, মানুষের এই বিলের প্রতি আস্থা নেই।

 

বেইজিংয়ের দুর্বল আইন এবং মানবাধিকার রেকর্ডের কারণে সেখানে কাউকে পাঠানো নিরাপদ বলে মনে করেন না এই শহরের বাসিন্দারা।

 

তারা মনে করেন এই বিল পাস হয়ে গেলে শহরের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চীনের হস্তক্ষেপের সুযোগ বাড়াবে।




Video of the day
More South-asia News
Recent Photos and Videos

Web Statistics