Bangladesh
উদ্যোগী বাংলাদেশ, মিয়ানমারের সাড়া নেই

Bangladesh Live News | @banglalivenews | 19 Oct 2019

Rohingya issue: Bangladesh hopeful but Myanmar showing no interest to reach conclusion
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা, অক্টোবর ১৯ : দফায় দফায় রোহিঙ্গাদের তালিকা মিয়ানমারকে দেয়া হলেও প্রত্যাবসনের কোনো খবর নেই। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমারকে নিয়ে গঠিত ত্রিপক্ষীয় ওয়ার্কিং কমিটির প্রথম বৈঠক অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তারিখই নির্ধারিত হয়নি।

ফলে শুরুতেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ভবিষ্যৎ প্রায় অনিশ্চিত। এ অবস্থায় মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা ছাড়া বিকল্প দেখছেন না বিশ্লেষকরা। তবে চীনের সমন্বয়ে গঠিত ত্রিপক্ষীয় ওয়ার্কিং কমিটির প্রথম বৈঠক দ্রুত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘ত্রিপক্ষীয় ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকটি দ্রুতই অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’


উল্লেখ্য, গতমাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এক বৈঠকে বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে ত্রিপাক্ষিক ওয়ার্কিং কমিটির বিষয়ে একমত হন।


ড. মোমেন তখন সাংবাদিকদের জানান, ত্রিপক্ষীয় এ দলটি যৌথভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে। এ কমিটির প্রথম বৈঠক অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এটা বাংলাদেশের হাতে নেই। মিয়ানমারের ওপর নির্ভর করছে। কিন্তু তাদের রাজনৈতিক সদিচ্ছা নেই। আবার দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যেভাবে চাপ সৃষ্টি করার কথা, তারা তা করছে না।’ এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ছোট বা বড় যেকোনো ধরনের উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক এ সম্পর্ক বিশ্লেষক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এমন উদ্যোগ প্রত্যাবাসন শুরুর প্রচেষ্টাকে সক্রিয় রাখবে এবং মিয়ানমার একটু হলেও চাপে থাকবে।’


অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘নতুন যে তালিকা মিয়ানমারকে দেয়া হলো সেটা দেশটির ওপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে। কারণ, প্রত্যাবাসন না শুরু করতে পারার জন্য মিয়ানমার বারবার বাংলাদেশকে অভিযুক্ত করে আসছে। এখন তারা বলতে পারবে না যে বাংলাদেশের জন্য প্রত্যাবাসন হচ্ছে না’- বলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক আরও বলেন, ‘প্রত্যাবাসন শুরু করতে চীন দায়িত্ব নিয়েছে। তবে এটা রাতারাতি সমাধানের বিষয় নয়। চীন হয়তো কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা করছে।’


উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের সংগঠন ‘আরসা’ কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলা চালানোর প্রতিক্রিয়ায় এ জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক নিপীড়নমূলক অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিসংঘ ওই অভিযানকে 'জাতিগত নিধন' হিসেবে আখ্যা দেয়।




Video of the day
More Bangladesh News
Recent Photos and Videos

Web Statistics