Column
জামাতের হিংসা-অভিযান ও তার অর্থ সম্পদ

11 Mar 2014

#

জামাত এবং তার ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবিরের নিরন্তর সন্ত্রাস আজ বাংলাদেশকে এক খুব বড় বিপদের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
প্রায়শই আইন রক্ষকদের উপর সুসমন্বিত আক্রমণ চালিয়ে সমস্ত দেশকেই যেন বন্দীদশায় ধরে রাখছে জামাতের গুন্ডারা। নানা ছুতোয় চলা এই সন্ত্রাসের লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধ বিচার বন্ধ করা। জামাতের প্রাক্তন ও বর্তমান প্রধান সহ শীর্ষ নেতৃত্বের প্রায় সবাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা রুখতে ঝাঁপিয়ে পড়া দখলদারি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে গণহত্যা, ধর্ষণ এবং অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধ করার দায়ে বর্তমানে বিচারাধীন। দলের সমস্ত প্রধান নেতার মুখোস খুলে পড়ায় এবং ফাঁসির দড়ি তাঁদের গলায় চেপে বসায় মরীয়া জামাত তাই যুদ্ধাপরাধ বিচার বানচাল করতে পেশীশক্তির আস্ফালন করছে।
 
গত ডিসেম্বরের ১২ তারিখে জামাতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির পরেই  নৈরাজ্য আর রক্তপাত চলতে থাকে দেশে, যার ফলে ২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, আহত আরও অনেকে। ঢাকার রাস্তায় নেমে পড়া জামাত কর্মীরা সেই সময় দু দিন ধরে অসংখ্য বাড়ি আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে, সম্পত্তি ধ্বংস করেছে আর নামিয়ে এনেছে ভয়াবহ সন্ত্রাস। সেই সময় থেকে যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকা ১২ জনেরও বেশি জামাত নেতার ভাগ্য ঝুলে রয়েছে। ওয়ার ক্রাইমস ট্রায়ালে যাদের ফাঁসির আদেশ হয়ে গিয়ে এখন সুপ্রিম কোর্টের সম্মতির অপেক্ষায় আছে, তাঁদের মধ্যে আছেন জামাতের নায়েব-এ-আমির দেলওয়ার হোসেন সাইদি, সেক্রেটারি জেনারেল আলি আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল  মুহাম্মদ কাম্রুজ্জামান এবং প্রাক্তন নেতা আবুল কালাম আজাদ। তাদের পালিয়ে থাকা নেতা আবুল আশরাফুজ্জামান খান এবং চৌধুরি মুইনুদ্দিনকেও মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে এবং চেষ্টা চলছে যাতে তাদের দেশে ফেরত আনিয়ে শাস্তি কার্যকর করা যায়।  চট্টগ্রাম অস্ত্র পাচার মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জামাতের আমির মতিউর রহমান নিজামির নামেও যুদ্ধাপরাধের দায়ে যে কোনও দিন ওয়ার ক্রাইমস ট্রায়ালে শাস্তি ঘোষণা কতে পারে। জামাতের প্রবীণ বিচারাধীন নেতা এ কে এম ইয়ুসুফ সম্প্রতি মারা গেছেন। অন্যান্য জামাত নেতাদের মধ্যে এটিএম আজহারুল ইসলাম, মির কাশেম আলি এবং মোবারক হোসেনের বিচার এখনও চলছে।
 
হিংসাত্মক কার্যকলাপের মধ্যে দিয়ে জামাত প্রমাণ করে দিয়েছে তারা একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল তাদের হিংসা- অভিযান যে, আন্তর্জাতিক মহল থেকেও  উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে গৃহিত একটি প্রস্তাবে জামাতের সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের নিন্দা করা হয়েছে। এর আগে রাষ্ট্র সংঘ এবং ইউ এস ফোরামেও একই ধরণের প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে। একই অবস্থান ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের।
 
নৈরাজ্য সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে গত ৫ই জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দশম সাধারণ নির্বাচনের সময় তাদের অপরাধমূলক কাজের তীব্রতা বাড়িয়ে তুলে জামাতের লোকেরা বহু মানুষকে হত্যা করে, ধ্বংস করে জনগণের সম্পত্তি। সংখ্যালঘুদের উপর তাদের নির্যাতন তো চলছিলই। এ সব কিছু সম্ভব হয়েছে কারণ, অনেক বছর ধরে দলটি বিপুল আর্থিক ক্ষমতার অধিকারী হয়েছে এবং হিংসাত্মক আক্রমণ চালানোয়  রীতিমত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তাদের কর্মীরা।
 
বাংলাদেশ ইকনমিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি হিসেব অনুযায়ী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পরিবহন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা এবং এনজিও ক্ষেত্র থেকে শুধু ২০০০ সালেই জামাত ২৫০ মিলিয়ন ডলারের নেট মুনাফা অর্জন করেছে। "যেখানে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৫-৬ শতাংশ, জামাতের আর্থিক বৃদ্ধি বছরে ৬ থেকে ৮ শতাংশ," তিনি বলেছেন।
 
জামাতের অর্থনৈতিক এবং ব্যব্যসায়িক কাজকর্মের পিছনে প্রধান মস্তিষ্ক মির কাশেম আলির। এই ব্যক্তি ছিলেন কুখ্যাত সশস্ত্র বাহিনী আল বদরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, যে আল বদর ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের হত্যায় সরাসরি ভাবে যুক্ত ছিল। যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকার জন্য মির কাশেম আলি এখন বিচারাধীন।
 
জামাতের বিদেশে থাকা সম্পত্তির তুলনায় অভ্যন্তরীন সম্পদ থেকে আয় বেশি হলেও দলের নিয়ন্ত্রণাধীন এই সব সংস্থার অধিকাংশেরই পশ্চিম এশিয়া এবং উপসাগরীয় দেশগুলির সংস্থা এবং ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ আছে।
 
 দক্ষিন এশিয়ার বাইরে জামাতের সব থেকে গুরুত্বপূর্ন সমর্থকদের মধ্যে আছে ইসলামিক সার্কল অফ নর্থ আমেরিকা(আই সি এন এ) এবং মুসলিম এইড। এই দুটি সংগঠনই আমেরিকা ও ব্রিটেন থেকে দাত্যব্য সংস্থার আড়াল  থেকে কাজ চালায়। এই দাতব্য সংস্থাগুলি সারা পৃথিবীর মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছ থেকে মুসলমানদের জন্য কাজ করার নাম করে জাকাত (দান) সংগ্রহ করে। এইভাবে আসলে জামাতের জন্য বিদেশ থেকে তহবিল সংগ্রহের কাজ করে আই সি এন এ এবং মুসলিম এইডের শাখাগুলি। আর আমেরিকা এবং ব্রিটেন থেকে কাজ করা এই দুটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত আছে যথাক্রমে আশফারুজ্জামান খান এবং মুইনুদ্দিন চৌধুরি্, একাত্তরের দুই কুখ্যাত কসাই, স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম নেওয়া রুখতে যারা খুন করেছিল বুদ্ধিজীবী সহ হাজার হাজার মানুষকে।  যুদ্ধাপরাধ আদালতে এই দুজনের অনুপস্থিতিতেই বিচার হয় এবং সম্প্রতি এদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
 
 ব্রিটেনে জামাতের বেশ কয়েকটি ধর্মীয় সংস্থা আছে। এগুলির মধ্যে আছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইউ কে, ইস্ট লন্ডন মস্ক, মুসলিম এইড ইউ কে, দাওয়াতুল ইসলাম এবং ইউ কে ইসলামিক মিশন। এই সংস্থাগুলি ব্রিটেন, আমেরিকা, জার্মানি এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে অর্থ সংগ্রহ করে নিয়মিত ভাবে আল খিদমত ফাউন্ডেশন এবং মুসলিম এইডের বাংলাদেশ শাখার কাছে পাঠায়।
 
দেশের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক সংস্থা এবং দক্ষিন এশিয়ার প্রথম তিনটি ব্যাংকের অন্যতম জামাত- নিয়ন্ত্রিত ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড গঠন করা হয়েছিল সৌদি আরবে। এর ৬০ শতাংশ শেয়ারের মালিক সৌদির মানুষজন এবং সংস্থা।  সৌদি আরবের আল রাজি ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত এই ব্যাংকটির শুরু হয়েছিল ১৯৭৫ সালে, ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ফুয়াদ আবদুল্লা আল খাতিব এবং তাঁর স্ত্রীর উদ্যোগে। আমেরিকা এবং রাষ্ট্র সংঘ-ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মে তহবিল জোগানদার ইয়াসিন কাদিরের এই ব্যাংকের সঙ্গে যোগ আছে।
 
এই ব্যাংকের শেয়ার সৌদি আরব ছাড়াও ছড়িয়ে আছে ইউ এ ই, কুয়েত এবং কাতারের মত দেশগুলিতে। ইসলামি ব্যাংক যেখানে জামাতের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড, সেখানে বাংলাদেশের আরও ১৪টি ব্যাংক জামাতের নিয়ন্ত্রনাধীন। জামাতের হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ন অন্যান্য অর্থনৈতিক সংস্থাগুলির মধ্যে আছে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত ফার ইস্টার্ন ইসলামি ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন এবং ইসলামি ব্যাংক ফাউন্ডেশন।
 
সৌদির ইসলামি এন জি ও রাবেতা-আল-আলাম-আল ইসলামিও জামাতের তহবিল জোগানোর একটি গুরুত্বপূর্ন উৎস। অন্য যে সব এন জি ও জামাতকে অর্থ পাঠায়, তাদের মধ্যে আছে কুয়েত রিলিফ ফান্ড এবং ইউ এ ই-র আল নাহিয়াত ট্রাস্ট। এই সব অর্থ এন জি ও-দের হাত থেকে  জামাত-নিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক এবং দাতব্য সংস্থাগুলির মাধ্যমে পাঠানো হয়। আল হেরা সমাজ কল্যান ফাউন্ডেশন এই ধরণের একটি জামাত-নিয়ন্ত্রিত দাতব্য সংস্থা। ইসলামের প্রচার করা, ধর্মীয় বই ও পত্রিকা প্রকাশ করা, মাদ্রাসা ও অনাথ আশ্রম পরিচালনা করা, দাতব্য চিকিৎসালয় চালানো, দরিদ্রদের মধ্যে ঋণ ও আর্থিক অনুদান বিতরণ করা এই সংস্থার কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মানুষের মধ্যে বিনা মূল্যে ইসলামের পুনরুত্থান বিষয়ক বইপত্র বিলিও করে এরা। এ ছাড়া উপসাগরীয় এবং পশ্চিম এশিয় দেশগুলিতে কাজের ব্যবস্থা করে বাংলাদেশের মানুষদের পাঠায় এরা। এই ধরণের ৩০ টি সংস্থা জামাতের নিয়ন্ত্রণে আছে।
 
জামাতের সাহায্যপুষ্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ মুসলিম ওয়েলফেয়ার এজেন্সিস অফ বাংলাদেশের অধীনে ৩৫০টিরও বেশি এন জি ও আছে, যারা সমাজকল্যানমূলক কাজের মধ্য দিয়ে গামাঞ্চলের দরিদ্র মানুষের অবস্থার উন্নতি ঘটানোর ঘোষিত উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে। গ্রামাঞ্চলে ইসলামের প্রচার করা ছাড়াও এই এন জি ও গুলির কর্মীরা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে ইসলামি নবজাগরণ বিষয়ক পুস্তিকাও বিলি করে থাকে।
 
আর্থিক সংস্থা হাতে থাকার ফলে বিদেশ থেকে টাকা আনানো এবং নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইসলামি সংগঠনগুলিকে অর্থ সরবরাহ করার সুযোগ হয় জামাতের। জঙ্গি সংগঠনগুলির জন্য বিদেশের অর্থ আসে প্রধানত জামাত-নিয়ন্ত্রিত ইসলামি আর্থিক সংস্থাগুলির মাধ্যমে। \'আহলে হাদিস আন্দোলন বাংলাদেশ\'-য়ের প্রধান অধ্যাপক আসাদুল্লা-আল-গালিব, যাঁর মাধ্যমেও এই কাজ হয়।
 
জামাতের মালিকানায় বেশ কিছু প্রকাশনা সংস্থা, সংবাদপত্র এবং দ্য সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড পিস স্টাডিজ-য়ের মত \'থিংক ট্যাংক\' সংস্থা আছে। ২০০৫ সালে জামাতের কেন্দ্রীয় নেতা মির কাশেম আলি-প্রতিষ্ঠিত নয়া দিগন্ত বর্তমানে দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি প্রচারিত খবরের কাগজগুলির মধ্যে অন্যতম। জামাতের মুখপত্র ডেইলি সংগ্রামও দেশের অন্যতম প্রাচীন সংবাদপত্র। জামাতের প্রকাশনা সংস্থাগুলির মধ্যে আছে আধুনিক প্রকাশনী, শতাব্দী প্রকাশনী, প্রভৃতি। দলের পক্ষ থেকে ইউথ ভয়েসের মত সাময়িকী, পুস্তিকা এবং ইসলামি সাহিত্য পত্রও প্রকাশ করে বিক্রি করা হয়।
 
ব্যবসা থেকে আয় করা ছাড়াও কাতার চ্যারিটেবল সোসাইটি, রিভাইভাল অফ ইসলামিক হেরিটেজ সোসাইটি অফ কুয়েত এবং ব্রিটেনের ইন্সটিট্যুট অফ ইসলামিক পলিটিকাল থট এবং মুসলিম এইড, ইউ কে-র মত এন জি ও-র কাছ থেকে অর্থ পায় জামাত। হুন্ডি সহ অনেক গোপন পথে আসে এই সব অর্থ।
 
এর উপরে জামাতের পরিচালনায় সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা কোচিং সেন্টারগুলি থেকে মোটা অর্থ আসে দলের তহবিলে। এই ধরণের ১২ টি কোচিং সেন্টারের ৩৫ টি শাখা আছে। রেটিনা কোচিং সেন্টার, যারা ছাত্রদের মেডিক্যাল এবং এঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তির জন্য তৈরি করে, দেশের মধ্যে জামাত-পরিচালিত সব থেকে বড় কোচিং সেন্টার। এই সব সংস্থাগুলি থেকে দলের আয় কত, তা সযত্নে গোপন রাখা হয়।
 
অধ্যাপক আবুল বরকত দেখিয়েছেন যে, যুদ্ধাপরাধ বিচার আটকানোর জন্য পিরামিডের মত ত্রিভুজাকৃতি ঢাল নিয়ে এগিয়ে চলেছে জামাত। সেই ত্রিভুজের এক দিকে আছে \'মৌলবাদী অর্থনীতি\', যার দৃঢ় ভিত্তি রয়েছে দেশে এবং যার বৃদ্ধি দেশের আর্থিক বৃদ্ধির থেকে দ্রুত। ত্রিভুজের অন্য দুটি দিকে আছে বিপুল লোকবল এবং সাম্প্রদায়িকতা অথবা ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা। অধ্যাপক বরকত বলেছেন, ইসলামি চরমপন্থা এবং মৌলবাদী অর্থনীতি--উভয়কেই দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করে যুদ্ধাপরাধ বিচারকে অর্থবহ করে তোলা দরকার। একই সঙ্গে দেশে-বিদেশে জামাতের প্রচার এবং যুদ্ধাপরাধ বিচারের বিরুদ্ধে তাদের জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টার জোরদার এবং কার্যকরী বিরোধিতাও করা দরকার। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানি সহযোগী এবং একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দিতেই হবে। না হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার কোনও অর্থই থাকবেনা।
 
প্রভূত সম্পদশালী জামাতের এন জি ও-গুলি সমাজে বিশেষত নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং দরিদ্র শ্রেনীর মধ্যে ঢুকে পড়েছে। জামাত মনে করে যুদ্ধাপরাধ বিচারের মধ্য দিয়ে দলকে ধ্বংস করা চেষ্টা হলে তাদের থেকে উপকার পাওয়া এই সব মানুষরাই এগিয়ে আসবেন দলকে বাঁচাতে।



Video of the day
Recent Photos and Videos

Web Statistics