Column
বিজয় উৎসব উদযাপন

05 Jan 2016

#

২০১৫, ১৬ই ডিসেম্বর ফোর্ট উইলিয়াম বিজয় স্মারকে ভারতীয় যৌথবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে পাকিস্তানী সন্ত্রাসবাদী লুঠতরাজবাহিনীর বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে শহিদ স্মরণে বিজয় উৎসব উদযাপিত হল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত তিরিশ লক্ষ শহিদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধ্যার সঙ্গে স্মরণ করে ডিসেম্বর ১৬ বাংলাদেশে বিজয় দিবস হিসাবে পালিত হয়।

 

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ উদ্যোগ স্মরণে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বভারতীয় সদর দপ্তর ফোর্ট উইলিয়াম-এ বিজয় দিবস পালিত হল।
ভারতীয় সেনাবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ উদ্যোগ স্মরণে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বভারতীয় সদর দপ্তর ফোর্ট উইলিয়াম-এ বিজয় দিবস পালিত হল।

 

দীর্ঘ নয় বছর ধরে মুক্তিযোদ্ধারা ভারতে আসেন এই বার্ষিক উৎসব উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগদান করতে। এই বৎসর মহম্মদ কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশের খাদ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৩০জন মুক্তিযোদ্ধা অনুষ্ঠানে যোগদিতে এসেছিলেন।

 

লেফট্যনেন্ট জেনারেল প্রভীন বক্সি, জেনারেল অফিসার কম্মান্ডিং ইন চিফ, ভারতীয় সেনাবাহিনী পূর্ব সদর, বাংলাদেশ স্বাধীনতার যুদ্ধে যৌথবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন; মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে বিজয় স্মারকে পুষ্পস্তবক দিয়ে পাকিস্তানি আগ্রাসন থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে স্বাধীনতার যুদ্ধে উৎসর্গিকৃত প্রাণেদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন।

 

এছাড়াও পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন বর্ষীয়ান বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল ও দুই দেশের তিন সামরিক শক্তির প্রতিনিধিরা। এই সমাবেশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত উর্দিধারী, বর্ষীয়ান, সাধারণ জনগণ, ছাত্রছাত্রী ও এনসিসি ক্যাডেট সকলেই ১৯৭১-এর শহিদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে দুই মিনিট নিরবতা পালন কারেন।

 

পাকিস্তানী দখলদারি বাহিনী বাংলাদেশী স্বাধীনতা সংগ্রামী ও জনসাধারণের উপর অত্যাচার পাশবিকতার শেষ সীমানায় নিয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তানী আর্মি জেনারেল নিয়াজী ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ভারতীয় যৌথবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ১৯৯৮ সালে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেন যে এই যুদ্ধে কমপক্ষে ৩০০০০ হিন্দু ও বহু স্বাধীনতা সংগ্রামীকে হত্যা করেন।

মানবতার ইতিহাসে জঘন্যতম গণহত্যা ও বর্বরতার চরমতম ঘটনা ঘটেছিলো পাকিস্তানী দখলদারি বাহিনী ও স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে নিরীহ নিরস্ত্র হত্যার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর ১৬ই ডিসেম্বর জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

 

পাকিস্তানী দখলদারি বাহিনী ও স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা সঠিক কতজন নিহত হয়েছিল তার পরিসংখ্যান পাওয়াযায়না। আনুমানিক  তিরিশ লক্ষ মানুষ নিহত ও আরও আশি লক্ষ থেকে এক কোটি  মানুষ হিন্দু ও মুসলমান নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ভারতে পাড়ি দেয়। পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় পাকিস্তানী দখলদারি বাহিনী ও স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা আনুমানিক দুই লক্ষ নারী ধর্ষিতা হয়েছিলেন।

 

মানবতার ইতিহাসে জঘন্যতম গণহত্যা ও বর্বরতার চরমতম ঘটনা ঘটেছিলো পাকিস্তানী দখলদারি বাহিনী ও স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে নিরীহ নিরস্ত্র হত্যার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর ১৬ই ডিসেম্বর জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।




Video of the day
Recent Photos and Videos

Web Statistics