Column
বাংলাদেশ-ভারত রেল প্রকল্প

21 Jan 2016

#

আখাউড়া-আগরতলা রেল প্রকল্প, যা বংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগ গড়ে তুলবে, তার উপর অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত সরকার। এই প্রকল্পের জন্য তহবিলের কোনও সমস্যা হবেনা, কারণ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এই প্রকল্পটির তত্ত্বাবধান করছে।

ভারতের উপরেলমন্ত্রী মনোজ সিংহ, নর্থ ইস্টার্ন রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার এইচ কে জাগ্‌গি এবং মন্ত্রক এবং ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কোম্পানির অফিসারেরা ১২ই জানুয়ারি তারিখে আগরতলায় এসে এই রেল প্রকল্পের ব্যাপারে সরেজমিন তদন্ত করেন। ২০১০ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সময় আখাউড়া-আগরতলা রেল প্রকল্পটি করা স্থির হয়। এর পরে গত বছরের জুন মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন ঢাকা সফরে আসেন, তখন ৫৮৭৫ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

 

এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া আগামী অর্থবর্ষে প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা। আখাউড়া থেকে আগরতলা রেল স্টেশন অবধি লাইন পাতার জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ এর মধ্যেই সম্পূর্ন হয়ে গিয়েছে। ভারতের এলাকায় জমির কিছু অংশ উঁচু করতে হবে।
এর আগেই ভারত সরকার ঘোষণা করেছিল যে, এই ১৫ কিমি দীর্ঘ প্রকল্পের সম্পূর্ন খরচ তারা বহন করবে। এই ১৫ কিমির মধ্যে ৫ কিমি পড়ে ভারতের এলাকায়, বাকীটা বাংলাদেশে।

 

এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া আগামী অর্থবর্ষে প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা। আখাউড়া থেকে আগরতলা রেল স্টেশন অবধি লাইন পাতার জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ এর মধ্যেই সম্পূর্ন হয়ে গিয়েছে। ভারতের এলাকায় জমির কিছু অংশ উঁচু করতে হবে।
 

প্রথমে প্রকল্পটির খরচ ধরা হয়েছিল ২৭১ কোটি টাকা। পরে ত্রিপুরায় ৯৭.৬ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য অতিরিক্ত ৩০২ কোটি টাকার দরকার পড়ে। কিন্তু সর্বশেষ হিসাবে দেখা যায় যে মাত্র ৭২ একর জমির প্রয়োজন হবে। সুতরাং জমির জন্য খরচ  ৩০২ কোটি থেকে কমে এখন ৭২ কোটিতে দাঁড়িয়েছে।

আখাউড়া-আগরতলা রেল প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারত এবং পূর্ব বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং অর্থনীতিকে যথেষ্ট জোরদার করবে। উপরন্তু, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'অ্যাক্ট ইস্ট' নীতিকেও তুলে ধরবে।

 

আখাউড়া-আগরতলা রেল প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারত এবং পূর্ব বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং অর্থনীতিকে যথেষ্ট জোরদার করবে। উপরন্তু, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'অ্যাক্ট ইস্ট' নীতিকেও তুলে ধরবে।

 

এই নতুন রেল প্রকল্পটি রূপায়িত হয়ে বাংলাদেশকে ত্রিপুরার সঙ্গে যুক্ত করলে  আগরতলা থেকে কলকাতার ১৬৫০ কিমি দূরত্ব কমে ৫৫০ কিমি হয়ে যাবে। ভারতের নীতি আয়োগ গত বছরের জুন মাসে একটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, এই গুরুত্বপূর্ন প্রকল্পটির কাজ ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে।




Video of the day
Recent Photos and Videos

Web Statistics