Column
ভারত-মায়ানমার-থাইল্যান্ড হাইওয়ের অংশীদার হতে আগ্রহী বাংলাদেশ

31 Oct 2016

#

আঞ্চলিক যোগাযোগের বৃদ্ধি ঘটিয়ে বৃহত্তর অর্থনৈতিক লাভের জন্য গড়ে উঠতে যাওয়া ভারত-মায়ানমার-থাইল্যান্ড ট্রাইল্যাটারাল হাইওয়ের অংশীদার হতে আগ্রহী বাংলাদেশ। এই ত্রিভূজ হাইওয়ে মায়ানমার হয়ে ভারতের মোরের সঙ্গে যুক্ত করবে থাইল্যান্ডের মায়ে সোতকে। বর্তমানে নির্মীয়মাণ এই রাস্তাটির কাজ শেষ হবে ২০২০ সালে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'অ্যাক্ট ইস্ট' নীতির মূল স্তম্ভ তিন দেশব্যাপী এই হাইওয়েটি । অ্যাক্ট ইস্ট নীতির লক্ষ্য দক্ষিন-পূর্ব এশিয় দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য এবং যোগাযোগের বৃদ্ধি ঘটানো। এই হাইওয়েটি হলে আসিয়ান-ভারত ফ্রি ট্রেড এরিয়া এবং দক্ষিনপূর্ব এশিয়ার বাকি অঞ্চলগুলিতে বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। ভবিষ্যতে এই হাইওয়েটিকে লাওস, কাম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনাম অবধি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এখন চেষ্টা করা হচ্ছে বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেকটোরাল টেকনিকাল অ্যান্ড ইকনমিক কোঅপারেশন (বিমস্টেক)-এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে এই ত্রিদেশীয় হাইওয়ে প্রকল্পটির অংশীদার করতে। গোয়াতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিমস্টেকের বৈঠকের আগে দিয়ে বাংলাদেশ জানিয়েছি্ল, এখানে তাদের যোগোদানের অন্যতম লক্ষ্য মায়ানমারের ভিতর দিয়ে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে থাইল্যান্ড এবং দক্ষিনপূর্ব এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া। 'আ পার্টনারশিপ ইন অপরচুনিটিজ' বিষয় সমন্বিত এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল বিমস্টেক সদস্য রাষ্ট্রগুলি। গোয়াতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল ত্রিদেশীয় হাইওয়ে প্রকল্পে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিকে সুনিশ্চিত করা।
এখন চেষ্টা করা হচ্ছে বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেকটোরাল টেকনিকাল অ্যান্ড ইকনমিক কোঅপারেশন (বিমস্টেক)-এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে এই ত্রিদেশীয় হাইওয়ে প্রকল্পটির অংশীদার করতে। গোয়াতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিমস্টেকের বৈঠকের আগে দিয়ে বাংলাদেশ জানিয়েছি্ল, এখানে তাদের যোগোদানের অন্যতম লক্ষ্য মায়ানমারের ভিতর দিয়ে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে থাইল্যান্ড এবং দক্ষিনপূর্ব এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া। 'আ পার্টনারশিপ ইন অপরচুনিটিজ'  বিষয় সমন্বিত এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল বিমস্টেক সদস্য রাষ্ট্রগুলি। গোয়াতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল ত্রিদেশীয় হাইওয়ে প্রকল্পে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিকে সুনিশ্চিত করা।


আরও গতিশীল এবং বিকাশমূখী দক্ষিন এশিয়া গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে কার্যকরী, যৌথ পদক্ষেপ করতে বাংলাদেশ এখন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যে হেতু এই ভৌগলিক অঞ্চলটি সারা বিশ্ব থেকে আসা  পুঁজি এবং ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যের সুবিধা নিতে চাইছে, সেই হেতু দক্ষিন এশিয় দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলে গিয়েছে।


শেখ হাসিনার গতিশীল অধিনায়কত্বে মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল  এবং আর্থ-সামাজিক সূচকের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। এই সাফল্যগুলির কয়েকটি হল, জিডিপি বৃদ্ধির হার বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হারের উল্লেখযোগ্য অবনমন, শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, শিক্ষা ক্ষেত্রে পড়ুয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নারী ক্ষমতায়ন।

বাংলাদেশ এখন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নিম্ন-মধ্য থেকে উচ্চ-মধ্য আয়ের দেশের পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে। সরকারের এই লক্ষ্য পূরণ হবে অঞ্চলিক এবং দক্ষিন এশিয় দেশগুলির সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার মাধ্যমে।


দু'হাজার পনেরো সালে নেওয়া  রাষ্ট্র সংঘের  'অ্যাজেন্ডা ২০৩০, যাতে বাংলাদেশ অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ, এই সাফল্যগুলিকে আরও বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ এনে দিয়েছে। দক্ষিন এশিয় দেশগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বড় লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে বাংলাদেশ।


বাংলাদেশ এখন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নিম্ন-মধ্য থেকে উচ্চ-মধ্য আয়ের দেশের পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে। সরকারের এই লক্ষ্য পূরণ হবে অঞ্চলিক এবং দক্ষিন এশিয় দেশগুলির সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার মাধ্যমে।




Video of the day
More Column News
Recent Photos and Videos

Web Statistics