Bangladesh

মানবতাবিরোধী অপরাধ: একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধ
সংগৃহিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

মানবতাবিরোধী অপরাধ: একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

Bangladesh Live News | @banglalivenews | 30 Jun 2022, 10:24 pm

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা, ৩০ জুন ২০২২: একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত ধর্ষণ, হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মাওলানা মো. শফি উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- তাজুল ইসলাম, মো. জাহেদ মিয়া, ছালেক মিয়াকে। আর খালাস পেয়েছেন সাব্বির আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

গত ১৭ মে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানির পর ট্রাইব্যুনাল এ মামলাটির রায়ের জন্য অপেক্ষায় রেখেছিলেন।

২০১৮ সালের ২১ মার্চ এ মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করে প্রসিকিউশনে প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্ত সংস্থা। যাচাই-বাছাই শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনতে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেয় প্রসিকিউশন।

এরপর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যার মতো বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল।

রায়ের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন। তবে তিনি বলেন, ‘এ রায়ের কপি পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে যাদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি এবং একজনকে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিষয়ে আমরা চিন্ত করবো।’

জাহেদ মিয়াসহ চার আসামির পক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, ২০১০ সালে সৈয়দ কায়সারের মামলা চলছিল। তখন হবিগঞ্জ জেলায় একটি রাজাকারের তালিকা করা হয়। সেই তালিকায় আমার মক্কেলদের কারোর নামও ছিল না। পুনরায় ২০১৭ সালের আরেকটি তালিকা তৈরি করে আমার মক্কেলদের ফাঁসানো হয়েছে। তদন্ত সংস্থা যাকে ফাঁসাতে চায় বা আসামি করতে চায়, তাকে ফাঁসানোর জন্য এক জেলা বা উপজেলায় বার বার রাজাকারের তালিকা করে।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আশা করছি, উচ্চ আদালত থেকে তারা খালাস পাবেন।

২০১৬ সালের ২২ মার্চ তদন্ত শুরু করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। ২০১৮ সালের ৪ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

এর আগে ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে জাহেদ মিয়া ওরফে জাহিদ মিয়া, সালেক মিয়া ওরফে সায়েক মিয়া এবং তাজুল ইসলাম ওরফে ফোকনকে গ্রেফতার করা হয়।

সর্বশেষ শিরোনাম

পবিত্র শবে কদর আজ Sat, Apr 06 2024

অচিরেই পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি শান্ত হবে: কাদের Sat, Apr 06 2024

টাকা লুট আর সক্ষমতা জানান দিতেই কেএনএফের হামলা: র‌্যাব Sat, Apr 06 2024

পরিবারের কাছে ফিরেছেন সোনালী ব্যাংকের অপহৃত সেই ম্যানেজার Sat, Apr 06 2024

উত্তপ্ত বান্দরবান, পরিস্থিতি পরিদর্শনে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Fri, Apr 05 2024

বান্দরবানে অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজার উদ্ধার Fri, Apr 05 2024

জনপ্রতিনিধিদের জনগণের সেবা করার মাধ্যমে ভবিষ্যত ভোট নিশ্চিত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Fri, Apr 05 2024

বান্দরবানে চলছে যৌথবাহিনীর অভিযান Fri, Apr 05 2024

তারেক রহমান নেতৃত্বে থাকলে বিএনপি এগুতে পারবে না: ওবায়দুল কাদের Fri, Apr 05 2024

মেট্রোরেলে ১ জুলাই থেকে ভ্যাট কার্যকর Thu, Apr 04 2024