Bangladesh

ICJ verdict might change India-China's policies

ICJ verdict might change India-China's policies

Bangladesh Live News | @banglalivenews | 26 Jan 2020, 11:14 am
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা, জানুয়ারি ২৬ : আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) রায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন, ভারতসহ মিয়ানমারের মিত্রদেশগুলোর নীতি পরিবর্তনে প্রভাব ফেলবে। শনিবার ( ২৫ জানুয়ারি) নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেন্টার ফর পিস স্টাডিজ আয়োজিত ‘ রোহিঙ্গা সংকট : জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার’ বিষয়ক সংলাপে এ মন্তব্য করেন সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক।

শহীদুল হক বলেন, আইসিজে মিয়ানমারকে গণহত্যার দায়ে দায়ী করেছে। এখন মিত্র কেউ চাইলেও বলতে পারবে না যে, মিয়ানমার গণহত্যা করেনি। তিনি বলেন, রাখাইনে গণহত্যা বন্ধ করতে আইসিজে রায় না দিলে, মিয়ানমারের বাকি ছয় লাখ রোহিঙ্গাও হয়তো হত্যার শিকার হতো।


রায়ের বিভিন্ন দিক আলাপকালে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব বলেন, রাখাইনে বসবাসরত সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য মিয়ানমার সরকারকে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো ধরনের নিরাপত্তা বাহিনী যাতে গণহত্যা না চালায়, কিংবা উসকানি না দেয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মিয়ানমার কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে, সে সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগামী চার মাসের মধ্যে আইসিজের কাছে জমা দিতে হবে। এরপর প্রতি ছয় মাসে একটি করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।


তিনি বলেন, এসব নির্দেশ মিয়ানমারের পক্ষে এড়িয়ে চলা কঠিন হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ওপর এখন রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব বেড়ে গেল। অন্যদিকে মিয়ানমার চাপে থাকলেও বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের ফেরাতে দ্বিপক্ষীয় পদক্ষেপ বজায় রাখবে বলে মনে করেন তিনি।


শহীদুল হক বলেন, আইসিজের রায় রোহিঙ্গাদের স্বীকৃতি দিয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে থাকা রোহিঙ্গাদের কথাই বলা হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার বেনাওয়ে প্রিফন্টেইন বলেন, আইসিজে যে রায় দিয়েছে, তাতে কানাডা সন্তুষ্ট। তবে এটি শুধু শুরু, আমাদের লড়াই করতে আরও অনেক পথ অতিক্রম করতে হবে। রোহিঙ্গাদের অধিকার রক্ষায় আমরা পিছপা হব না।


তিনি বলেন, মিয়ানমার কয়েক মাসে কী করে, তাই দেখার বিষয়। তবে আমাদের বসে থাকলে চলবে না। আমরা জানি, আইসিজের সিদ্ধান্ত একটি সময়সাপেক্ষ বিষয়। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়সহ নিরাপত্তা কাউন্সিলকে এখন নতুন করে ভাবতে হবে।
কানাডার হাইকমিশনার বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে কানাডা।