All Column

Will not allow anyone to enter the border: Home Minister

Students panic as SSC question paper leaked

Evil practice of corrupt politics in the country was, still is: Outgoing IGP

Ban against RAB aims at behavioral change, not a punishment: Ambassador Peter Haas

Coronavirus: Two deaths, 679 new cases across Bangladesh on Thursday

Jamaat’s new strategy

Apprehending that the ongoing war crimes trial will decimate Jamaat-e-Islami (JEI) and the noose would soon tighten around top brass of JEI leadership, Jamaat and its student front Islami Chhatra Shibir (ICS) are bent upon thwarting the trial and save their leaders indicted for war crimes at any cost.

LeT- supplied grenades used to kill Kibria

The militant organization Harkat-ul-Jihad-al-Islami (HUJI) used a grenade to kill senior Awami League (AL) leader and former Finance Minister SAMS Kibria on January 27, 2004 from a cache it was supposed to transport to India for Lashkar- e-Taiba (LeT). The LeT high-ups in Pakistan had sent the cache to Bangladesh for onward transmission to their men in Kashmir through Satkhira border. But the HUJI failed to follow the instructions, thanks to the Border Security Force’s interception of the previous consignment. The cache of 32 grenades, which the HUJI received in Chittagong, rested in Bangladesh before those were used in different major attacks.

Seditious Jamaat Shibir

Loudspeakers are being used from mosques urging people to assemble with lathis and bricks. Attacks are being carried out on selected houses and establishments with specific purposes of damaging properties. Police officials, when they arrive for maintaining law and order, are being targeted for attack by Jamaat workers and their alliance partner BNP. In broad daylight a police officer’s head was thrashed with bricks by them. Police, RAB, BGB and other security forces are increasingly being made target of brutality by Jamaat Shibir cadres and their alliance partners. They also set a power transmission center on fire and destroyed it. Anarchy, bloodshed and chaos which have become a regular phenomenon are tantamount to sedition.

হেফাজতের বদলে যাওয়া নীতি

মওলানা ভাসানির ঐতিহাসিক লং মার্চের পর অতি সম্প্রতি বাংলাদেশে দ্বিতীয় লং মার্চ সংগঠিত , করলেন হেফাজত-এ-ইসলামির নেতারা। মুসলমানদের ইসলামের ‘ইমান’ ও ‘আকিদা’ অর্থাৎ ইসলাম-নির্দিষ্ট বিশ্বাস এবং ইসলামি মতবাদ সম্পর্কে শিক্ষিত করতে ২০১০ সালের ১৯শে জানুয়ারি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গঠিত হয়েছিল এই হেফাজত-এ-ইসলাম। এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল ইসলামি ভাবনাকে সমাজে সংঘবদ্ধ করা, ইসলামি মূল্যবোধের প্রসার ঘটান এবং দেশে ও বিদেশে সবরকম ইসলাম তথা মুসলমান-বিরোধী চক্রান্তের বিরোধিতা করা। মাননীয় আলেম এবং ইসলামি পন্ডিত আল্লামা শাহ আহমদ শফি, যিনি কাওয়ামি মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং প্রখ্যাত হাথেজারি মাদ্রাসার ডিরেকটর, এই সংগঠনের প্রধান। ...

Revised policies of Hefazat

After Maulana Bhasani’s historical Long March, the Hefazat-e-Islam leaders recently organized the second Long March in Bangladesh. Hefazat-e-Islam was formed on January 19, 2010 as a non-political organization to educate the Muslims about Islam’s Iman, Aqeeda, tenets and ideals. The objective of this organization is to consolidate Islam in the society, promote Islamic values and counter all anti-Islam and anti-Muslim conspiracies, both within the country and abroad. Allama Shah Ahmad Shafi, esteemed Alem and Islamic scholar who is also Chairman of Qaumi Madrassa Board and Director of the famous Hathazari Madrassa, is the head of this organization.

হেফাজতে-ইসলামির লং মার্চের পিছনে কারা ?

গত ৬ই এপ্রিল অশান্ত বাংলাদেশে কাওয়ামি মাদ্রাসা-ভিত্তিক চরমপন্থী সংগঠণ হেফাজত-এ-ইসলামি ‘নাস্তিক’ ব্লগারদের শাস্তিসহ অন্যান্য দাবিতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অবধি লং মার্চ’ করে। তাদের এই কর্মসূচীর আগে প্রবল উত্তেজনা ও আশঙ্কায় কেঁপেছে দেশ। পরিস্থিতির আরও অবনতির সম্ভাবনা দেখা যায় যখন পালটা কর্মসূচী নিয়ে সন্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি এবং গণজাগরন মঞ্চ সহ ২৭ টি স্বাধীনতা সংগ্রামী সংগঠণ একই দিনে দেশজুড়ে হরতালের ডাক দেয়। তারও পালটা হিসেবে হেফাজতে-এ-ইসলাম আবার হুমকি দেয় এই বলে যে, যদি হরতালের ডাক ফিরিয়ে নেওয়া না হয়, তবে তারা পরের দিন থেকেই লাগাতার হরতাল করে যাবে। এই ধরনের সংঘর্ষময় পরিস্থিতি বিষম দুশ্চিন্তার কারন হয় দাঁড়ায় আর সন্ত্রস্ত মানুষ অপেক্ষায় থাকেন আরও রক্তপাত, আরও নৈরাজ্যের। বি এন পি-র নেতৃত্বাধীন জামাত-এ-ইসলামি সহ ১৮ দলের জোট হেফাজত-এ-ইসলামির এই লং মার্চকে সমর্থন জানিয়েছিল। ...

‘মরীয়া’ খালেদা জিয়ার সেনা আবাহন

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের পরোক্ষ আহ্বান করে বিরোধী নেত্রী এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক মন্তব্য তাঁর এবং তাঁর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ শেখ হাসিনার সরকারের মধ্যেকার চাপা উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

Hepazat-e-Islam’s long march in Bangladesh

Bangladesh is in turmoil with Qaumi Madrassa based radical organization Hepazat-e-Islam planning to seize the country with its plan for a Chittagong- Dhaka ‘long march’ on April 6 demanding,among other things, punishment to ‘atheist bloggers’ for defaming Islam. The situation has taken a serious turn as in a counter move 27 pro-liberation organizations including Sammilito Sangskritik Jote, Ekattorer Ghatak Dalal Nirmul Committee and Ganojagoron Mancha called a hartal on the same day. Hepazat-e-Islam replied with a threat to launch non- stop strike from the next day if its opponents’ hartal coinciding with its ‘long march’ is not called off. Such confrontational programmes have created grave concern and agony and the people have become apprehensive of more blood shed and chaos in the country. The BNP led 18 party alliance of which Jamaat-e-Islami (JEI) is a constituent has also declared support for the Hepazat-e-Islam’s ‘long march’ programme.

বাংলাদেশকে হিন্দুশুন্য করতে প্রতিজ্ঞা জামাতের

যুদ্ধাপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল গত ফেব্রুয়ারি মাসের আঠাশ তারিখে জামাত-এ-ইসলামির প্রবীণ নেতা দেলওয়ার হোসেন সাইদির মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করার পরেই তাঁর দল বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু করে। জামাত এবং তাদের ছাত্র ফ্রন্ট ইসলামি ছাত্র শিবিরের কর্মীদের আক্রমণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় লুঠ হয়েছে হিন্দুদের সম্পত্তি, জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের বাড়ি ঘর এবং মন্দির। ...

Jamaat vows to eradicate Hindus from Bangladesh

Jamaat-e-Islami (JEI) activists have launched jehad against the Hindu minority in Bangladesh soon after the International Crimes Tribunal awarded death penalty to senior JEI leader Delawar Hossein Sayeedi on February 28, 2013 on war crimes charges. Following the verdict, activists of JEI and its student front Islami Chhatra Shibir (ICS) launched attacks on Hindus in different parts of the country. Hindu properties were looted, Hindu houses were burnt to ashes, Hindu temples were desecrated and set on fire.

Begum Zia’s call to army a desperete measure

A statement by Bangladesh’s opposition leader and former prime minister, Begum Khaleda Zia, suggesting that the country’s army should intervene to sort out the current spate of protests and violence has deepened the tensions between her and the government of her arch political rival, Prime Minister Sheikh Hasina.

হৃদয় চায় আরও কিছু বেশি

প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের প্রয়াণে ্যে রাজনৈতিক সৌজন্য বি এন পি নেত্রী খালেদা জিয়া দেখিয়েছেন, সমস্ত শ্রেনীর মানুষ তাকে স্বাগত জানিয়েছেন। যদি প্রত্যেকেই তাঁকে অনুসরণ করেন, তাহলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দৃঢ এবং শক্তিশালী হয়ে উঠবে।সমস্ত বিক্ষোভ কর্মসূচী স্থগিত রেখে খালেদা জিয়া দলের শাখাগুলিকে যথাযথভাবে সরকার ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোক পালন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর এই সৌজন্য নিঃসন্দেহে দেশের রাজনৈতিক পরিমন্ডল এবং সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করবে। ...

সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে বৈধতা, অর্থ সাহায্য দিচ্ছে ব্রিটেন

স্যামুয়েল ওয়েস্ট্রপ: বাংলাদেশের উগ্রপন্থী ইসলামি সংগঠণ, জামাত-এ-ইসলামি, যারা ১৯৭১-এর গণহত্যার জন্য দায়ী, এখন ব্রিটিশ মুসলিমদের মধ্যে প্রধান শক্তি হয়ে উঠেছে।

Mind desires more

Gesture shown by BNP Chairperson Khaleda Zia at the passing away of President Zillur Rahman has been welcomed by all sections of people. Democracy will be further consolidated and strengthened in Bangladesh if everybody follows Khaleda Zia’s gesture. She has announced postponement of BNP’s agitational programmes including hartal and instructed her party units to observe the government announced State mourning in a befitting manner. This gesture will certainly have salubrious impact on the political environment and culture of the country. She has also put on hold all organizational activities of BNP.

বাংলাদেশের ইসলামি উগ্রবাদ

বি রমন: ঢাকার উত্তাল শাহবাগ আন্দোলন, যাকে \\\'বাংলাদেশ স্প্রিং\\\' নামে অভিহিত করা হচ্ছে, তা ২০১০ সালে মিশরে ঘটে যাওয়া তাহ্‌রির স্কোয়ার আন্দোলনেরই মত। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের এক অভ্যুত্থানের সাক্ষী হয়ে থাকছে শাহবাগ, যেখান থেকে দাবি উঠেছে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়কার যুদ্ধাপরাধীদের প্রাণদণ্ডের। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ট্রাইব্যুনালের বিচারের আওতায় থাকা এই সব যুদ্ধাপরাধীদের অধিকাংশই জামাত-এ-ইসলামির নেতাস্থানীয় ব্যক্তি। অভিযোগ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-আন্দোলনের বিরোধিতা করে এরা পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল এবং স্বাধীনতার দাবিকে সমর্থন করার জন্য সুপরিচিত বুদ্ধিজীবী সহ অসংখ্য সাধারন মানুষকে পাইকারি হারে হত্যা করেছিল। ...