Bangladesh
বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আরও দুই শতাধিক রোহিঙ্গা

Bangladesh Live News | @banglalivenews | 29 Aug 2018

More Rohingyas waiting to enter Bangladesh
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা, আগস্ট ৩০ ঃ বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তে আরও দুই শতাধিক রোহিঙ্গা অপেক্ষা করছে। রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে বাঁচতে ইতোমধ্যেই সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

বিদেশি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপে দুইশোর বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। তারা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছে। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ইতোমধ্যেই সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। তারা ওই এলাকায় কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। বিজিবি ছাড়াও নাফ নদে টহল দিচ্ছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা। যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য কঠোর নিরাপত্তা জারি রয়েছে। গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের বেশ কিছু সেনাপোস্টে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাখাইনে অভিযান চালায় মিয়ানমার সেনারা। অভিযানের নামে সেখানে রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়, নারীদের ধর্ষণ করা হয়, নির্বিচারে গুলি করে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। ফলে আতঙ্কিত লাখ লাখ রোহিঙ্গা নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।


ওন্তারিও ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ওআইডি) জানিয়েছে, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করেছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। অপরদিকে ১ লাখ ১৪ হাজার রোহিঙ্গাকে বর্বরভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৭ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা নারী এবং কিশোরীকে ধর্ষণ ও গণধর্ষণ করেছে মিয়ানমারের সেনা ও পুলিশ সদস্যরা। ১ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গার বাড়ি-ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর অভিযানের পর সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু।


সম্প্রতি রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যায় দায়ে মিয়ানমারের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে ধর্ষণ ও গণধর্ষণসহ ব্যাপকহারে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে জাতিসংঘের ওই তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার।




Video of the day
More Bangladesh News
Recent Photos and Videos

Web Statistics