Bangladesh
মজুতদারদের ‘মগজধোলাই’ দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

Bangladesh Live News | @banglalivenews | 06 Dec 2019

President Hamid makes special reference

Photo courtesy: Wikimedia Commons

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা, জানুয়ারি ৬ : পকেটমারদের যেমন গণধোলাই দেওয়া হয় তেমনি মজুতদার-মুনাফালোভীদের মগজধোলাই দিতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ হলো একটা আজব দেশ।

ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি নতুন ধান উঠলে চালের দাম কমে যায়। এখন বিভিন্ন দিকে ধান উঠছে। কৃষকরা হাহাকার করছে। ধানের দাম নেই। অথচ ব্যবসায়ী আর মজুতদাররা চালের দাম প্রতি কেজিতে দু-তিন টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে! এটা আসলে খুব দুঃখজনক। এখানে আমি কী বলবো? পকেটমারদের যেমন গণধোলাই দেওয়া হয় তেমনি এদেরও; আসলে এদের মগজধোলাই দিতে হবে।’


বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সমাবর্তনে সভাপতি হিসেবে বক্তৃতাকালে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আবদুল হামিদ বলেন, ‘যারা দাম বাড়িয়ে মানুষকে ঠকাচ্ছে সেসব মজুতদার-মুনাফালোভীকে বোঝাতে হবে। রাতারাতি ধনী হওয়ার জন্য এসব কাজ ঠিক নয়।’ তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের শুধু উন্নয়নমূলক কাজ নয়, মানুষকে মোটিভেট করা, এরকম মজুতদারদের বুঝিয়ে-সুঝিয়ে সঠিক পথে আনা একটা পবিত্র দায়িত্ব। এগুলো আপনার পালন করবেন।’


চুয়েটের সমাবর্তনে মেয়েদের গোল্ড মেডেল না পাওয়া নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এখানে মাত্র ৪টা গোল্ড মেডেল, তিনটা ছেলেরা নিয়ে গেল আর একটা অ্যাবসেন্ট (অনুপস্থিত) সেটাও নাকি ছেলে। এখানে মেয়েরা আমাকে একটু হতাশ করেছে। শুনলাম এখানে মেয়েদের সংখ্যা ৩৪-৩৫ পারসেন্ট (শতাংশ) হবে। অবশ্য আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বলেছিলাম, মেয়েরা গোল্ড মেডেল পাইলে অলঙ্কার বানিয়ে ফেলে, এই কথার কোনো প্রভাব পড়ছে কি-না জানি না।’


তিনি বলেন, ‘প্রকোশলীরা হলেন উন্নয়নের কারিগর। তাদের মেধা-মননে প্রণীত হবে উন্নয়নের রূপরেখা। প্রকৌশল শিক্ষা যদিও হাতে-কলমে, তবু এখানেও সৃজনশীলুার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। প্রকৌশলীদের জ্ঞানের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম ও উন্নত পাঠদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে।’


রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। যেখানে শিক্ষার্থীদের অন্তর্নিঘিু মেধার সৃজনশীল বিকাশের সব আয়োজন নিশ্চিত করা হয়। কেবল পুঁথিগণ বিদ্যা নয়, বরং দেশ-বিদেশের সর্বশেষ তথ্যসমৃদ্ধ শিক্ষা, গবেষণা এবং সৃজনশীল কর্মকান্ডে যেন শিক্ষার্থীরা সম্পৃক্ত হতে পারে, তার দ্বার উন্মোচন করবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।’


এর আগে রাউজান উপজেলার ১৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে তিন বছর ধরে প্রতিদিন চলমান স্কুল ফিডিং মিড ডে মিল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২২ হাজার ২৬০টি টিফিন বক্স বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি।




Video of the day
More Bangladesh News
Recent Photos and Videos

Web Statistics