Bangladesh
রায়ের বাজার সমাধিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন

Bangladesh Live News | @banglalivenews | 15 Dec 2019

PM Hasina pay tribute on martyr monuments
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা, ডিসেম্বর ১৫ : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী সমাধিসৌধে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের মানুষ শহীদদের স্মরণে নির্মিত বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে।

এদিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর। ‘স্মৃতিতে রায়েরবাজার বধ্যভূমি’ শীর্ষক এ অবস্থান কর্মসূচিতে খেলাঘরের সদস্যরা সাদা কাপড় পরে চোখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান নেন।


এছাড়া একাত্তরে বুদ্ধিজীবীদের ঘ্যুা করে বধ্যভূমিতে যেভাবে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল, অভিনয়ের মাধ্যমে সেই প্রতীকী দৃশ্য রচনা করেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন খেলাঘরের সদস্যরা।


শিল্পকলা অ্যাকাডেমির উদ্যোগে ছিলো যন্ত্রসঙ্গীত, গান, কবিুা পাঠ ও আবৃত্তি অনুষ্ঠানে। যাতে বক্তব্য রাখেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। আয়োজনে একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্বরলিপি ও মাইনুল আহসান।


এ আগে সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ বেদীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শহীদ বেদীর সামনে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুন সুর বাজানো হয়। শহীদদের সম্মানে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।


শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধাঘু মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।


পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দলের পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে একে একে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানায় কেন্দ্রীয় ১৪ দল, শহীদ পরিবারের সন্তান ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা।


১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের আগ মুহূর্তে ১৪ ডিসেম্বরের এ দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর, আল শামস ও রাজাকাররা জাতিকে মেধাশূন্য করতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের রাতের আঁধারে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে ঘ্যুা করে।


এ নির্মম হত্যাকান্ডের মাত্র দু’দিন পর ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।




Video of the day
More Bangladesh News
Recent Photos and Videos

Web Statistics