Finance
চীনের ফাঁদ থেকে বাংলাদেশকে উদ্ধারে পদক্ষেপ নেবে ভারত

Bangladesh Live News | @banglalivenews | 11 Jul 2020

India to bolster trade with Bangladesh

Photo courtesy: Wallpaper

ঢাকা, জুলাই ১১ : তিন সপ্তাহের সীমান্ত উত্তেজনা শেষে কিছুটা স্থির হয়েছে লাদাখ নিয়ে চীনের সাথে উত্তেজনা। নেপালের সংগে বিরোধের এখনও নিস্পত্তি হয়নি। পাকিস্তানতো মোটেও আস্থায় নেই। এমন পরিস্থিতিতে এখনো যথেষ্ট ভালো সম্পর্ক রয়েছে বাংলাদেশ-ভারত দুই প্রতিবেশি দেশের।

সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সব থেকে বড় বাণিজ্য সহযোগী দেশ বাংলাদেশ। প্রতি বছর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য বেড়েই যাচ্ছে। ২০১৮-১৯ সালে ভারত বাংলাদেশে প্রায় ৯.২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল। আর বাংলাদেশ থেকে ভারত আমদানি করেছে ১.০৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য।
তবে এ বছর মহামারি করোনা ভাইরাস দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তাছাড়া ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি দুই প্রতিবেশি দেশের সম্পর্কে ফাটল ধরাতে উঠেপড়ে লেগেছে চীন। তাই এবার এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত।
চীন সম্প্রতি ঘোষণা করেছে তারা নিজেদের দেশে বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধা দেবে। ভারতের সঙ্গে রেষারেষির জন্যই চীনের এমন সিদ্ধান্ত বলে ধরা হচ্ছে। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি বাংলাদেশকে বাণিজ্য ঘাটতি ও ঋণের ফাঁদে ফেলতে পারে এই পদক্ষেপ। আর তাই প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত।
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশি পণ্যের বাধাহীন প্রবেশের সুযোগ দিতে পারে ভারত। একইসঙ্গে ভুটান ও নেপালের সঙ্গে সড়ক ও রেলপথে বাংলাদেশকে পণ্য পরিবহণের সুবিধা দেওয়ার কথাও ভাবছে দেশটি। শুক্রবার ভারতের ইংরেজি দৈনিক ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্র বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ব্যবহার করে আবারও পণ্য পরিবহন চালু করার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তা ভারতে বাংলাদেশি রফতানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। ইকোনমিক টাইমস বলছে, গত বুধবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিশেষ সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে একটি চিঠি লিখেছেন।
বাণিজ্য ছাড় এবং ঋণের ক্ষেত্রে চীনের চেয়ে ভারতীয় শর্তাবলি বেশি সুবিধাজনক উল্লেখ করে ভারতীয় একটি সূত্র বলছে, চীনের সিদ্ধান্ত নেয়ার এক দশক আগেই বাংলাদেশের বেশ কিছু পণ্যের শুল্ক-মুক্ত প্রবেশের সুবিধা দিয়েছে ভারত; যা নয়াদিল্লির সঙ্গে ঢাকার বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসে সহায়তা করেছে।
সূত্রগুলো বলছে, ঢাকাকে বাণিজ্য ছাড় দেয়ার বিষয়টি বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রেখেছিল বেইজিং। এখন এই উদ্যোগটি ঢাকাকে ঋণের ফাঁদে ফেলতে পারে। সুবিধাজনক প্রত্যাবর্তনের জন্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারগুলোতে বাংলাদেশের প্রবেশ করা উচিত।




Video of the day
More Finance News
Recent Photos and Videos

Web Statistics