Column
আরও এক গৌরবের পালক হাসিনা মুকুটে

10 Oct 2015

#

রাষ্ট্রসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মান, 'চ্যাম্পিয়নস অফ দি আর্থ' পুরষ্কারে সম্প্রতি ভূষিত হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিউ ইয়র্কে সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সামিটের শেষে এই পুরষ্কার দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে উদ্ভূত সমস্যাগুলির সমাধানে সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ নেওয়ার স্বীকৃতি হিসাবে প্রদত্ত এই পুরষ্কার শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন রাষ্ট্র সংঘের  ইউ এন এনভা্যরনমেন্টাল প্রোগ্রামের একজিকিউটিভ ডিরেক্টর আশ্‌শিম স্টেইনার। 

 

এর আগে, অগাস্ট মাদের দু' তারিখে ইউ এন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল অর্গানাইজেশনের 'অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা ক্ষুধা এবং অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁর সাফল্যের জন্য। পুরষ্কারের সঙ্গে এ কথা উল্লেখ করা হয়েছিল যে, অপুষ্টিতে ভোগা মানুষদের সংখ্যা ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে পঞ্চাশ শতাংশ কমিয়ে এনে পাঁচ শতাংশেরও নীচে নামিয়ে এনে বাংলাদেশ মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস-এর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছে।
ইউ এন ই পি-প্রবর্তিত চ্যাম্পিয়নস অফ দি আর্থ পুরষ্কারটি সেই সব বিশিষ্টজনকেই দেওয়া হয়ে থাকে, যাঁদের কর্ম এবং নেতৃত্ব পরিবেশ সংরক্ষণের উপর সদর্থক প্রভাব বিস্তার করে।  এই পুরষ্কার শেখ হাসিনাকে দেওয়া হয়েছে পলিসি লিডারশিপ বিভাগে, আবহাওয়া পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বের দানের জন্য। এই উপলক্ষ্যে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত একটি সম্বর্ধনা সভায় আমেরিকান কংগ্রেসের সদস্য ইয়েভেত ডায়েন ক্লার্ক শেখ হাসিনাকে 'গ্লোবাল প্রাইড' অথবা বিশ্বের গর্ব বলে অভিহিত করে বলেন তাঁর কাজের জন্য তিনি নিশ্চয়ই তাঁর দেশবাসীর সমর্থন পাবেন।

 

এর আগে, অগাস্ট মাদের দু' তারিখে ইউ এন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল অর্গানাইজেশনের 'অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা ক্ষুধা এবং অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁর সাফল্যের জন্য। পুরষ্কারের সঙ্গে এ কথা উল্লেখ করা হয়েছিল যে, অপুষ্টিতে ভোগা মানুষদের সংখ্যা ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে পঞ্চাশ শতাংশ কমিয়ে এনে পাঁচ শতাংশেরও নীচে নামিয়ে এনে বাংলাদেশ মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস-এর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছে।

 

এরও কিছু আগে, ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে শেখ হাসিনা 'সাউথ-সাউথ কোঅপারেশন ভিশনারি' পুরষ্কার পান। দারিদ্র্য দূর করা এবং জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য এই পুরষ্কার পান শেখ হাসিনা। ওয়াশিংটনে সাউথ-সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো ২০১৪ চলাকালীন হাসিনার প্রতিনিধি হয়ে আসা সাজেব ওয়াজেদ জয়ের হাতে এই   পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়েছিল।

 

২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ-সাউথ  কোঅপারেশন বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমানোয় মুখ্য ভূমিকা নেওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে সাউথ-সাউথ পুরষ্কার প্রদান করেছিল। তাঁর হাতে এই পুরষ্কার তুলে দিয়েছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ-সাউথের প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সিস লোরেঞ্জো। 

 

ঐ ২০১৩ সালেরই জুন মাসে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অ্যাচিভমেন্ট পুরষ্কার পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা, লক্ষ্যবর্ষ ২০১৫ সালের আগেই দেশে ক্ষুধার প্রকোপ অর্ধেকে নামিয়ে আনার জন্য। ফাও-এর ডিরেক্টর জেনারেল জোশ গ্রাজিয়ানো দা সিলভা হাসিনার হাতে তুলে দিয়েছিলে এই পুরষ্কার।

 

ঐ জুনে মাসেরই ৮ তারিখে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল থেকে তাঁকে রোটারি পিস প্রাইজ দেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে এবং বিশ্বে শান্তির প্রসার ঘটানোয় তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে।

 

২০১১ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর তারিখে ইউ এন ইকনমিক কমিশন ফর আফ্রিকা, পার্মানেন্ট মিশন অফ অ্যান্টিগা অ্যান্ড বার্বুডা টু দ্য ইউ এন, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকম্যুনিকেশনস ইউনিয়ন এবং সাউথ-সাউথ নিউজ যৌথ ভাবে নিউ ইয়র্কে শেখ হাসিনাকে পুরষ্কার প্রদান করে। এই সম্মান এসেছিল তথ্য এবং সম্প্রচার প্রযুক্তিকে মহিলা এবং শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ব্যবহারের জন্য তাঁর উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার স্বীকৃতিতে।

 

তার আগের বছরে একই তারিখে শেখ হাসিনা রাষ্ট্র সংঘের মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল অ্যাচিভমেন্ট পুরষ্কার পেয়েছিলেন বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর ঘটনা  পঞ্চাশ শতাংশ নামিয়ে আনার জন্য।

 

 ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি ইন্দিরা গান্ধী পিস প্রাইজ, ডিসআর্মানেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পুরষ্কারও পেয়েছিলেন তিনি। পুরষ্কার প্রদানকালে ভারতের ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং শেখ বলেছিলেন শেখ হাসিনা দক্ষিন এশিয়ার এক জন 'অসাধারন রাজনৈতিক নেতা', যিনি বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য অক্লান্ত ভাবে কাজ করে গিয়েছেন।

 

জনজীবনে তাঁর অতুলনীয় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে  ২০০৬ সালের ২৫শে জুন মাদার টেরিজা লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছিল। মাদার টেরিজা ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড মিলেনিয়াম অ্যাওয়ার্ড কমিটি-প্রবর্তিত এই পুরষ্কার তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলেন ঐ কমিটির চেয়ারম্যান অ্যান্থনি অরুণ বিশ্বাস। এর আগে, ১৯৯৮ সালের ১২ই এপ্রিল অল ইন্ডিয়া পিস কাউন্সিলের থেকে অতি সম্মানজনক মাদার টেরিজা পুরষ্কার পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

 

দারিদ্র্য এবং ক্ষুধার বিরুদ্ধে তাঁর অসাধারণ সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসাবে ১৯৯৯ সালের ২২ শে অগাস্ট ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশের কাছ থেকে সম্মানজনক সি ই আর ই এস মেডাল পেয়ছিলেন তিনি।

 

১৯৯৮ সালে অসলোর মহাত্মা এম কে গান্ধী ফাউন্ডেশনের থেকে শেখ হাসিনাকে এম কে গান্ধী অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছিল। এই পুরষ্কার ছিল বাংলাদেশের তৃণমূল স্তরে সাম্প্রদায়িক বোঝাপড়া,  ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং গণতন্ত্রের প্রসারে তাঁর অতুলনীয় অবদানের জন্য।

ঐ ২০১৩ সালেরই জুন মাসে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অ্যাচিভমেন্ট পুরষ্কার পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা, লক্ষ্যবর্ষ ২০১৫ সালের আগেই দেশে ক্ষুধার প্রকোপ অর্ধেকে নামিয়ে আনার জন্য। ফাও-এর ডিরেক্টর জেনারেল জোশ গ্রাজিয়ানো দা সিলভা হাসিনার হাতে তুলে দিয়েছিলে এই পুরষ্কার।

 

অল্প বয়সী মেয়ে এবং মহিলাদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে অসাধারণ অবদান রাখার জন্য ইউনেস্কো ইতিমধ্যেই শেখ হাসিনাকে 'পিস ট্রি' স্মারক মেডেল প্রদান করেছে, যেমন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স অফ ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন টিকাকরণের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ সাফল্যের জন্য স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশকে, যার কৃতিত্ব শেখ হাসিনার। গত চার বছরের মধ্যে বাংলাদেশে টিকা না দেওয়া শিশুদের সংখ্যা ৫২ শতাংশ কমিয়ে আনার দেশের প্রধানমন্ত্রীর অবদান অনস্বীকার্য।

 

তিনি ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর হুফোয়ে-বয়নি শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে চলা সংঘর্ষের অবসান ঘটাতে রাজনৈতিক সাহস প্রদর্শন এবং রাজনীতির ঊর্দ্ধে ওঠা নেতৃত্ব দানের জন্য শেখ হাসিনাকে দেওয়া হয়েছিল এই সম্মান।




Video of the day
More Column News
Recent Photos and Videos

Web Statistics